Update and Top News

Blogger Tips and TricksLatest Tips And TricksBlogger Tricks

Monday, May 16, 2016

২০১৬ সালে প্রায় তিন লাখ মানুষকে কানাডায় অভিবাসনের সুযোগ দেওয়া হবে। কানাডা সরকারের চলতি বছরের অভিবাসন পরিকল্পনায় জানানো হয়েছে, কানাডার অর্থনীতিতে অবদান রাখতে পারবে—এমন লোক নেওয়া হবে এক লাখ ৬০ হাজার ৬০০ জন। ৮০ হাজার পরিবার, শরণার্থী হিসেবে ৫৫ হাজার ৮০০ জন এবং মানবিক সহায়তায় দেশটিতে যাওয়ার সুযোগ পাবে তিন হাজার ৬০০ জন। কানাডায় যেতে আগ্রহীদের জন্য এক্সপ্রেস এন্ট্রি, প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম, সেলফ অ্যামপ্লয়েড, ফ্যামিলি স্পন্সরশিপসহ বেশ কয়েকটি ক্যাটাগরি রয়েছে। প্রতিটি ক্যাটাগরিতে আবেদনের যোগ্যতা ভিন্ন। তবে সব ক্যাটাগরিতে যোগ্য ও দক্ষ ব্যক্তিদের সুযোগ দেওয়া হবে।
এক্সপ্রেস এন্ট্রিকানাডায় অভিবাসন আবেদন করার নতুন ক্যাটাগরি এক্সপ্রেস এন্ট্রি। এর মাধ্যমে নির্দিষ্ট কাজে অভিজ্ঞরা কানাডায় অভিবাসনের সুযোগ পাবেন। এক্সপ্রেস এন্ট্রির তিনটি প্রোগ্রাম আছে। এগুলো হলো—ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার, ফেডারেল স্কিলড ট্রেডার্স ও কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স এন্ট্রি। তিনটি প্রোগ্রামেই আবেদনকারীদের বয়স হতে হবে ২১ থেকে ৫৩ বছরের মধ্যে। আইএলটিএস স্কোর থাকতে হবে কমপক্ষে ৫। আইইএলটিএস স্কোর ভালো হলে এবং বয়স ৩০ বছরের মধ্যে হলে সব প্রদেশেই আবেদনের সুযোগ পাওয়া যাবে। ফেডারেল স্কিলড ওয়ার্কার প্রোগ্রামে আবেদনকারীর শিক্ষাগত যোগ্যতা ডিপ্লোমা বা স্নাতক। লাগবে নির্দিষ্ট পেশায় কমপক্ষে এক বছরের অভিজ্ঞতা। আবেদনকারীদের যোগ্যতা নির্ণয় করা হবে ছয়টি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে। প্রতিটি বিষয়ে নির্দিষ্ট পয়েন্ট বরাদ্দ থাকবে। মোট ১০০ পয়েন্ট। এর মধ্যে শিক্ষা বিষয়ে ২৫, ভাষা দক্ষতায় ২৮, কাজের অভিজ্ঞতা ১৫, বয়সে ১২, কাজ নিশ্চিত করা ১০ এবং কানাডায় নিজেকে মানিয়ে নেওয়ার মধ্যে বরাদ্দ থাকবে ১০ পয়েন্ট। কোনো আবেদনকারী কমপক্ষে ৬৭ পেলে আবেদন করতে পারবেন।ফেডারেল স্কিলড ট্রেডার্স প্রোগ্রামে একটি নির্দিষ্ট ট্রেডে দক্ষ ব্যক্তিরা আবেদন করতে পারবেন। কানাডা সরকারের ইমিগ্রেশনবিষয়ক ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, আবেদনকারীদের শিক্ষাগত যোগ্যতার বাধ্যবাধকতা নেই। তবে শিক্ষাগত যোগ্যতা না থাকলে পয়েন্ট পাওয়া যাবে না। থাকতে হবে নির্দিষ্ট ট্রেড সার্টিফিকেট এবং কমপক্ষে দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা। গত তিন বছরের মধ্যে কানাডায় কমপক্ষে এক বছর কাজের অভিজ্ঞতা ও দক্ষতা আছে—এমন সব ব্যক্তি কানাডিয়ান এক্সপেরিয়েন্স ক্যাটাগরিতে আবেদন করতে পারবেন। কানাডিয়ান ন্যাশনাল অকোপেশনাল ক্লাসিফিকেশন (এনওসি) অনুযায়ী কাজের অভিজ্ঞতার পয়েন্ট হিসাব করা হবে।
প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রাম পেপার বেইজড অথবা এক্সপ্রেস এন্ট্রি এই দুই পদ্ধতিতে প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রামে আবেদন করা যাবে। কানাডার ১১টি প্রদেশে যোগ্যতা থাকা সাপেক্ষে পেপার বেইজড আবেদন করা যাবে। বিভিন্ন প্রদেশের ওয়েবসাইটে যোগ্যতা ও কাজের সুযোগ সম্পর্কে জানা যাবে। আগ্রহীরা এক্সপ্রেস এন্ট্রির মাধ্যমেও প্রভিনশিয়াল নমিনি প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। সেলফ অ্যামপ্লয়েড
কানাডায় স্বনির্ভরভাবে কাজ করতে আগ্রহীরা এই প্রোগ্রামে আবেদন করতে পারবেন। প্রার্থী নির্বাচন করা হবে শিক্ষা, অভিজ্ঞতা, বয়স, ভাষাগত দক্ষতা ও মানিয়ে নেওয়া এই পাঁচটি বিষয় বিবেচনা করে।
আবেদন ও বাছাই প্রক্রিয়া আন্তর্জাতিক অভিবাসনবিষয়ক আইনজীবী ড. শেখ সালাহউদ্দিন আহমেদ জানান, কানাডায় যেতে আবেদনের জন্য প্রার্থীর শিক্ষাগত যোগ্যতার সনদ, আইইএলটিএসের কাগজপত্র, অভিজ্ঞতার সনদ, নাগরিকত্ব সনদ, পাসপোর্টের তথ্য ও একটি পূর্ণাঙ্গ জীবনবৃত্তান্ত লাগবে। পয়েন্ট হিসাব করা হয় সব কাগজপত্র বিবেচনায় এনে। আবেদনের সময় কানাডা সরকারের নির্ধারিত ফি পরিশোধ করতে হয়। ধরনভেদে আবেদন ফি ভিন্ন।
অগ্রাধিকার পাবেন যারা অ্যাকাউনট্যান্ট, অ্যাডমিন অ্যান্ড এইচআর, সেলস অ্যান্ড মার্কেটিং, ফিন্যানশিয়াল অডিটর অ্যান্ড অ্যাকাউনট্যান্ট, রিটেইল সেলস সুপারভাইজার, ফুড সার্ভিস সুপারভাইজার, কুক, ইনফরমেশন সিস্টেম অ্যানালাইসিস অ্যান্ড কনসালটেন্ট, সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার, কম্পিউটার প্রোগ্রামার, ইন্টারঅ্যাকটিভ মিডিয়া ডেভেলপার, গ্রাফিকস ডিজাইনার, আইটি প্রফেশনাল, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, প্রকৌশলী, চিকিৎসক, নার্স, ফার্মাসিস্ট, মেডিক্যাল রিপ্রেজেন্টেটিভ ও ব্যাংকার পেশাজীবীদের প্রাধান্য দেওয়া হয়।
আয় রোজগার কানাডায় আয়ের হিসাব করা হয় প্রতি ঘণ্টা হিসেবে। কাজভেদে প্রতি ঘণ্টায় ১৬ থেকে ২২ ডলার পর্যন্ত আয় করা যায়। যে পরিমাণ কাজ করবে, সে অনুযায়ী আয় করা যাবে।
সুযোগ আছে উদ্যোক্তা হিসেবেও ইমিগ্রেন্ট ইনভেস্টর প্রোগ্রামের আওতায় কুইবেক প্রদেশে যেতে পারবেন উদ্যোক্তারা। এ জন্য আবেদনকারীর ১.৬ মিলিয়ন কানাডিয়ান ডলারের সমান সম্পদ থাকতে হবে। পাঁচ বছরের জন্য বিনিয়োগ করতে হবে চার লাখ কানাডিয়ান ডলার। এ প্রোগ্রামে আবেদন চলবে ২০১৭ সালের ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত। কুইবেক এন্টারপ্রেনার প্রোগ্রাম ক্যাটাগরিতে আবেদনের জন্য কমপক্ষে তিন লাখ কানাডিয়ান ডলার ও ব্যবস্থাপক হিসেবে এক বছরের অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। কুইবেক সেলফ অ্যামপ্লয়েড পারসন প্রোগ্রামে আবেদন করতে কমপক্ষে এক লাখ কানাডিয়ান ডলারের সমপরিমাণ সম্পদ থাকতে হবে। এসব ক্যাটাগরিতে বয়স, শিক্ষাগত যোগ্যতা ও আইএলটিএস স্কোরের বাধ্যবাধকতা নেই। দরকারি ওয়েবসাইট কোন ক্যাটাগরিতে কতজন নেওয়া হবে তা জানা যাবেnews.gc.ca/web/article-en.do?nid=1038699  লিংকে। অভিবাসনের বিভিন্ন ক্যাটাগরিতে আবেদনের যোগ্যতা ও অন্যান্য তথ্য পাবেন www.cic.gc.ca/english/immigrate লিংকে। www.immigration-quebec.gouv.qc.ca/en ওয়েবসাইটের মাধ্যমে কুইবেক প্রদেশে অভিবাসনের তথ্য পাওয়া যাবে। অভিবাসন সম্পর্কে আরো তথ্য জানা যাবে www.immigration.ca/en ওয়েবসাইটের মাধ্যমে। কানাডার ভিসা সম্পর্কে www.canadavisa.com ওয়েবসাইটে তথ্য পাওয়া যাবে। বাংলাদেশি আবেদনকারীদের আবেদনের প্রয়োজনীয় তথ্য পাওয়া যাবে www.wwbmc.com ওয়েবসাইটে।
প্রার্থী নিজেও আবেদন করতে পারেন ৩০ বছরের কম বয়সীরা বেশি সুযোগ পায়। দুই বছরের কাজের অভিজ্ঞতা চাওয়া হলেও যাদের পাঁচ বছরের অভিজ্ঞতা আছে, তাদের প্রাধান্য বেশি। কাজের অভিজ্ঞতা ও শিক্ষাগত যোগ্যতার সামঞ্জস্য থাকতে হবে। আইইএলটিএস স্কোর ৬.৫ থেকে ৭-এর মধ্যে রাখতে হবে। ঝুঁকি কম থাকায় উদ্যোক্তাদের জন্যও কানাডায় বিনিয়োগ লাভজনক। সঠিক প্রক্রিয়া অনুসরণ করে আগেভাগেই আবেদন করতে হবে। প্রার্থী চাইলে নিজেও আবেদন করতে পারেন। তবে আবেদনের ক্ষেত্রে সতর্কতা অবলম্বন করতে হবে।
ভুয়া বা ভুল তথ্য দিলে আবেদন বাতিল হতে পারে। একবার আবেদনপত্র বাতিল হলে পরে আবেদন করা গেলেও সম্ভাবনা কমে যায়। এ জন্য দক্ষ ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের মাধ্যমে আবেদন করাই ভালো।
আবেদনের জন্য যোগাযোগ করুন; ((শামিম আহমেদ ০১৭৪৯৬৮৮৪৭৩))

Tuesday, April 12, 2016

সবাইকে আমার সালাম, আসসালামুআলাইকুম। আশা করি সাবাই নিশ্চই ভাল  আছেন। আপনাদের জন্য দোয়া করি যেন আপনারা সাবাই সব সময় ভাল থাকতে পারেন। আমার জন্যা দোয়া করবেন যেন আমি সব সময় আপনাদের জন্য ভালো কিছু দিতে পারি। যাই হোক আজ আমি আপনাদের মাঝে একটি অসাধারন এবং চমৎকার একটি App শেয়ার করবো। এই App টি দ্বারা আপনি আপনার Android ফোন দিয়েই পিসি নিয়ন্ত্রন করতে পারবেন এবং সাথে চ্যাট, ডাটা ট্রান্সফার, রিমোট পিসির স্ক্রিন রেকর্ডিং সহ যাবতীয় সকল কাজ করতে পারবেন। এই App  টির নাম TeamViewer QuickSupport। প্রথমে নিচ থেকে App টি ডাউনলোড করে নিন।ডাউনলোডের জন্য এখানে ক্লিক করুন।
আস্সালামু আলাইকুম, আমি শামিম আহমেদ। নিশ্চই সবাই ভালো আছেন। আজ আমি অনেকদিন পর যে টিউনটি লিখলাম সেটি হচ্ছে EPS এর মাধ্যমে আপনি কিভাবে দক্ষিন কোরিয় জাবেন ?
উত্তর: কোরিয়াতে বিদেশী শ্রমিকদের কাজের সুযোগ হওয়ায় যারা আসতে চান সবার একই প্রশ্ন কিভাবে কোরিয়া আসা যাবে । অনেকেই আমার কাছে ইমেইল করে জানতে চেয়েছেন কোরিয়ায় চাকরি পাওয়ার ব্যাপারে। যারা কোরিয়াতে চাকরি নিয়ে আসতে চান বা আপনার আশেপাশে যারা কোরিয়ায় আসার ব্যাপারে জানতে চান তারা ফোনদিবেন Mobile:01749688473
ইপিএস কি?
কোরিয়ান সরকার তাদের শ্রম মন্ত্রণালয়ের এইচআরডি কোরিয়ার মাধ্যমে বিভিন্ন দেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার জন্য একটি সিস্টেম চালু করে যার নাম হল ইপিএস (এমপ্লয়মেন্ট পারমিট সিস্টেম)।
এই সিস্টেমের আওতায় ১৫টি দেশ থেকে শ্রমিক নেওয়া হচ্ছে। এই দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে বাংলাদেশ, ইন্দোনেশিয়া, মংগোলিয়া, কম্বোডিয়া, কিরজিগিস্তান, মায়ানমার, নেপাল, পাকিস্তান, শ্রীলংকা, ফিলিপিন, থাইল্যান্ড, উজবেকিস্তান, ভিয়েতনাম, চীন এবং ইস্ট-তিমুর। ২০০৭ সালে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নেওয়ার জন্য কোরিয়ান সরকার এবং বাংলাদেশ সরকারের মধ্যে একটি চুক্তি (MOU-Memorendum of Understanding) স্বাক্ষরিত হয়। এই চুক্তি অনুযায়ী ২০০৮ সাল থেকে বাংলাদেশ থেকে শ্রমিক নিয়োগ অব্যাহত রয়েছে।
উল্লেখ্য, চুক্তি অনুযায়ী একমাত্র বোয়েসেলই এইচআরডি কোরিয়ার সুনির্দিষ্ট নিয়ম অনুসরণ করে কর্মী প্রেরণ করতে পারবে। অন্যকোন এজেন্ট বা কোম্পানী বা সংস্থা কোনভাবেই কোরিয়ায় শ্রমিক প্রেরণ করতে পারবেনা। এইকথা অনেক সময় শুনা যায় যে, অনেকেই ৭/৮ লাখ টাকার বিনিময়ে কোরিয়ার আসার সুযোগ করে দিবে/দিতে পারে। এই ধরণের সকল তথ্যই ভূয়া।
ইপিএসে স্বল্প খরচে কোরিয়া এসে কোরিয়ানদের সমান বেতন নিয়ে কাজ করতে পারার সুযোগ থাকায় বাংলাদেশে ইতিমধ্যে প্রচুর জনপ্রিয়তা পেয়েছে। ইপিএসে পুরো প্রক্রিয়া শেষ করে কোরিয়া আসা পর্যন্ত প্রায় ৭০ থেকে ৮০ হাজার টাকার মত খরচ হতে পারে।
ইন্টারনেট রেজিস্ট্রেশন
ইপিএস সিস্টেমে কোরিয়া আসতে হলে কোরিয়ান ভাষা (ইপিএস-টপিক) পরীক্ষায় পাস করে আসতে হয়। কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা দেওয়ার জন্য আগ্রহীর সংখ্যা বেশি হওয়ায় লটারীর মাধ্যমে প্রাথমিকভাবে কারা পরীক্ষা দিতে পারবেন তা নির্বাচন করা হয় (এই নিয়ম পরিবর্তনশীল)।
অর্থাৎ প্রথমে সবাই ইন্টারনেটে আবেদন করতে পারলেও কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষাটি দিতে পারবেন শুধু যারা লটারীতে টিকবেন। বোয়েসেল এবং এইচআরডি কোরিয়া কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষার জন্য একটি বিজ্ঞপ্তি দিয়ে থাকে। বিজ্ঞপ্তিটি বেশকিছু জাতীয় দৈনিকসহ বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে প্রকাশ করে থাকে।
উল্লেখ্য, ২০১৬ সালের ইপিএস প্রাথমিক রেজিসটেশনের ঘোষনা আসতে পারে এপরিল মাসে। সিবিটি (কম্পিউটার বেইজ টেস্ট) পরীক্ষা অনুষ্টিত হতে পারে জুলাই থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত।
যারা আবেদন করতে চান তাদের যেসব প্রাথমিক যোগ্যতা থাকতে হবে তা হলঃ
১। বয়স হতে হবে ১৮ থেকে ৩৯ বছর।
২। মেশিন রিডেবল পাসপোর্ট থাকতে হবে।
৩। কখনো কোন অপরাধে সাজাপ্রাপ্ত হলে আবেদন গ্রহণযোগ্য হবেনা।
৪। কোরিয়া থেকে যাদেরকে ফেরত পাঠানো হয়েছে বা অবৈধভাবে ছিলেন তাদের আবেদন
গ্রহণযোগ্য নয়।
উপরোক্ত যোগ্যতা থাকলে আপনি আবেদন করার সুযোগ পাবেন।
ইন্টারনেটে আবেদনের পর আপনার প্রথম পরীক্ষা হল লটারী। লটারীতে আপনি ভাগ্যবান বলে বিবেচিত হলে যেসব প্রক্রিয়াগুলো আপনাকে সম্পন্ন করতে হবে তা পর্যায়ক্রমে নিন্মে দেওয়া হলঃ
বোয়েসেলের ওয়েবসাইটে রেজাল্ট অনুযায়ী আপনি নির্বাচিত হলে বোয়েসেল নির্ধারিত পে-অর্ডার (এখনকার নিয়মানুযায়ী ২০৩৫ টাকা) করে বোয়েসেলে জমা করলে চুড়ান্ত রেজিস্ট্রেশনের জন্য আপনার দেওয়া তথ্য এবং কাগজপত্র অনুযায়ী এইচআরডি কোরিয়ার সার্ভারে আপলোড করা হবে।
কোরিয়ান ভাষা পরীক্ষা
লটারীতে নির্বাচিত হওয়ার পর চুড়ান্ত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হলে আপনাকে বোয়েসেলের দেওয়া নির্ধারিত সময়ানুযায়ী কোরিয়ান ভাষার পরীক্ষা দিতে হবে।
পরীক্ষা হবে লিসেনিং (২৫টি প্রশ্ন) এবং রিডিং (২৫টি প্রশ্ন) এর উপর। ইপিএসের ওয়েবসাইটে প্রশ্নব্যাংক ডাউনলোড করার সুযোগ আছে। বেসিক কোরিয়ান শিখে যে কেউ ঐ প্রশ্নব্যাংক ভালভাবে সমাধান করলে পাশ করার সম্ভাবনা আছে। নিজের প্রচন্ড আগ্রহই একমাত্র আপনাকে পাশ করাতে পারে।
ইপিএস পরীক্ষা দেওয়ার পর ইপিএসের ওয়েবসাইটের মাধ্যমে আপনি জানতে পারবেন আপনি পাশ করেছেন কিনা। ইপিএস পরীক্ষার রেজাল্টের মেয়াদ থাকবে দুই বছর।
চাকরির আবেদন এবং কোরিয়া যাত্রা
ইপিএসে পাশ করলেই কোরিয়া যাওয়া নিশ্চিত নয়। এই কথাটা ভালভাবে মনে রাখতে হবে। ইপিএস-টপিক পরীক্ষায় পাস করলে চাকরির জন্য আবেদন করতে পারবেন। বোয়েসেল আবেদনের জন্য যাবতীয় কাজ সম্পন্ন করে দিবে। এক্ষেত্রে বোয়েসেলের সাথে সার্বক্ষনিক যোগাযোগ রাখতে হবে এবং তাদের নির্দেশনা মেনে চলতে হবে। চাকরির আবেদনের পর নাম জব রোস্টার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত করা হবে। রোস্টার তালিকায় অন্তর্ভূক্ত হওয়ার পর যেকোন সময় চাকরির ডাক আসতে পারে। এইচআরডি’র তালিকাভুক্ত কোম্পানীগুলো রোস্টার তালিকা থেকে বিদেশী শ্রমিক পছন্দ করে। রোস্টার তালিকায় প্রয়োজনের চেয়ে বেশি সংখ্যক প্রার্থী থাকে বলে অনেক সময় অনেকেই বাদ পড়ে যেতে পারেন বা নিয়োগ পেতে দেরী হতে পারে। কোন কোম্পানী যখন বিদেশী শ্রমিকের চাহিদাপত্র দেয় তখন জব রোস্টার তালিকা থেকে তিনগুন শ্রমিকের তালিকা দেওয়া হয়। ঐ তালিকা থেকে যেসব শ্রমিককে নির্বাচন করা হয় তাদের জন্য এমপ্লয়মেন্ট পারমিট ইস্যু করা হয়। কোন কোম্পানী যদি আপনাকে পছন্দ করে তবে নিয়োগপত্র আপনার কাছে পাঠাবে যা আপনি পুরণ করে বোয়েসেলের মাধ্যমে পাঠিয়ে দিবেন। উক্ত নিয়োগপত্রে আপনার চুক্তির বিস্তারিত থাকবে(বেতনভাতা, কর্মস্থল, ছুটি, ডিউটি-টাইম, চুক্তির মেয়াদ ইত্যাদি)।
আপনার নিয়োগকর্তা আপনার এমপ্লয়মেন্ট পারমিট, শ্রমচুক্তিপত্র দাখিলপূর্বক সিসিভিআই (সার্টিফিকেট ফর কানফার্মেশন অব ভিসা ইস্যুয়েন্স) এর জন্য আবেদন করলে আইন মন্ত্রণালয় পরীক্ষা নিরীক্ষা করে সিসিভিআই ইস্যু করবে।
নিয়োগকর্তা সিসিভিআই বাংলাদেশে পাঠালে বোয়েসেল কোরিয়ান দূতাবাস থেকে ভিসার ব্যবস্থা করবে। অনেক সময় আপনাকে সাক্ষাতকারের জন্য দূতাবাসে যেতে হতে পারে। তবে বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই যাওয়া লাগে না। কোরিয়ায় যাওয়ার আগে আপনাকে ১ সপ্তাহের নির্ধারিত ট্রেনিং নিতে হবে এবং কোরিয়ায় পৌঁছানোর পর ন্যূনতম ২০ ঘন্টা ট্রেনিং নিতে হবে। এসব ট্রেনিংয়ে কোরিয়ান ভাষা, সংস্কৃতি, কাজের পরিবেশ, কোরিয়াতে প্রয়োজনীয় বিভিন্ন বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে।যোগাযোগ শামিম স্যার আজমপুর আবুল হাসেম খান মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটের তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি শিক্ষক। মোবাইল: ০১৭৪৯৬৮৮৪৭৩

Sunday, April 10, 2016

Payoneer হল একটি  Global Payment Solution Company। Payoneer এর Prepaid debit Mastercard এর মাধ্যমে আপনি বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment Receive/Pay করতে পারবেন। যেমনঃ Upwork, Elance, PPH, Amazon, Clickbank, etc.

Payoneer Mastercard এর মাধ্যমে আপনি যেসব সুবিধা পাবেনঃ

  • একটি Worldwide গ্রহণযোগ্য মাস্টারকার্ড পাবেন।
  • আমেরিকার একটি Virtual ব্যাংক Account পাবেন।
  • Eu Payment Service ইউরোপ থেকে পেমেন্ট নিতে পারবেন।
  • Online থেকে Mastercard সাপোর্ট এমন যেকোনো জায়গা থেকে যে কোনো কিছু কিনতে পারবেন।
  • US Payment Service এর মাধ্যমে Paypal, Moneybookers, সহ বিভিন্ন কোম্পানি থেকে Payment গ্রহন করতে পারবেন।
  • Payoneer এর Master Card দিয়ে পৃথিবীর যেকোনো দেশের MASTERCARD Supported ATM Booth থেকে Dollar উত্তোলন করতে পারবেন।
১। প্রথমেই নিচের লিঙ্কে প্রবেশ করে  Signup  করে নিনঃ
এইখান থেকে Signup করলে আপনি পাবেন ২৫ ডলার ফ্রী সাথে আমিও পাবো. আপনি প্রথম ১০০ ডলার লোড করার পরে ২৫ ডলার বোনাস পাবেন (আমিও তখন পাব)। তাই কেউ শুধু ২৫ ডলার বোনাস এর আশায় হুদাই Payoneer Account খুলবেন না।
  • সতর্কতাঃ আপনি যদি ফ্রিল্যান্সার না হন বা অনলাইনে আয়ের কোন উৎস না থাকে তবে দয়া এই কার্ড এপ্লাই করে অযথা দেশের ক্ষতি করবেন না
রেফারেল লিংক দেবার কারন হল। আপনি যদি কোনো মার্কেট প্লেস থেকে একাউন্ট করেন তাহলে ব্যালেঞ্চ ট্রান্সফার করতে পারবেন না, এবং এক মার্কেট প্লেস এর  Payoneer কার্ড অন্য মার্কেট প্লেস অ্যাড করতে পারবেন না। (সুতরাং বুজতেই পারছেন আমি $২৫ পাব এই কথা চিন্তা করে অন্য জায়গা থেকে একাউন্ট করলে কার লস বেশি হবে)। Payoneer এর Activation চার্জ হল ৩০ ডলার এর মত। তাই আপনি যদি Payoneer এর কার্ড ব্যবহার করেন তাহলে এই ২৫ ডলার দিয়ে অন্তত Payoneer এর Activation চার্জ টা দিতে পারবেন। তাহলে আসুন আর কথা না বারিয়ে শুরু করা যাক।

Signup Link Click here


২। এখন এখানে ৪ টি ধাপ আপনাকে অনুসরন করতে হবে।

  • Personal details
  • Contact Details
  • Security Details
  • Almost done!


সাইনআপ করার সময় নাম ঠিকানাতে C/o ও : . +, এধরনের চিনহ দেয়া থেকে বিরত থাকুন, শধুমাত্র পিতার নাম লিখতে পারেন নিচের মত,আর আগে থেকে আপনার একটি কার্ড থাকলে নতুন করে এপ্লাই করা থেকে বিরত থাকুন।


৩। এবার আপনার ইমেইলে লগিন করুন, পেয়নিয়ার থেকে পাওয়া ইমেইলটি ওপেন করুন। দেখুন আপনার রেজিস্ট্রেশন কমপ্লিট হয়েছে এবং এপ্রুভাল এর জন্য কিছু সময় চাইছে।

৪। এবার আপনার পেয়নিয়ার একাউন্টে লগিন করুন, আপনি স্টেপ ২ এ আছেন দেখতে পাবেন। আপনার একাউন্ট এপ্রুভ হবার পরেই কার্ড পাঠানো হবে।
৬। আপনার Payoneer এর Registration সম্পন্ন হল।
আবেদনের সময় কোন ভুল বা সমস্যা না থাকলে সাথে সাথে  আপনি Payoneer Account Approve মেইল পাবেন,
যদি আপনি আগে আপনার ডিভাইস থেকে কার্ড এপ্লাই করে থাকেন আপনার একাউন্ট আপ্রুভ হতে অনেক সময় লাগতে পারে, অথবা ইমেইলে কোন ডকুমেন্ট চাইলে তা অবশ্যই আপলোড করতে হবে  । যে কোন সমস্যার সমাধান পেতে পেওনিয়ার সাপোর্টে যোগাযোগ করুন।  আপনার Payoneer এর Account Approve হলে নিচের মত একটা মেইল পাবেন। আর কার্ড আসার সময় হলে অবশ্যই আপনার টিউন অফিসে যোগাযোগ করুন।
Dear (Your Name),
Congratulations!
Your Payoneer Prepaid Debit MasterCard® card order has been approved!
Your card will be shipped by Regular mail.
Your card is estimated to arrive between (17 Apr 2015 and 24 Apr 2015) sample time.
***কার্ড এপ্রোভ হতে কিছুটা সময় লাগতে পারে ১ থেকে ৭ দিন পর্যন্ত অনেক সময় ১ মাস ও লেগে যায়,(কখনো কখনো সাথে সাথেই এপ্রোভ হয়)
কার্ড Approve হলে আপনাকে Shipping Date মেইল এর মাধ্যমে জানিয়ে দেওয়া হবে। সাধারনত কার্ড আসতে ২০ থেকে ৩০ দিন লাগে। DHL এর মাধ্যমে ৬০ ডলার খরচ করে ৩ দিনে আপনার কার্ড পেতে পারেন।
  1. এপ্রোভ করার আগে এপ্রোভাল ডিপার্টমেন্ট কোন তথ্য চাইলে তা দ্রুত রিপ্লাই করুন, ধরুন আপনার ঠিকানা আমার চাচ্ছে এক্ষেত্রে C/o অপশন, স্কুলের নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম দেওয়ার দরকার নাই, শুধু গ্রাম, টিউন অফিস, শহর, টিউন কোড ইত্যাদি দিবেন।
  2. আপনার কার্ড পাইতে হইলে অবশ্যই ভালো ভাবে সাইন আপ করতে হবে। এই জন্য ন্যাশনাল আইডি কার্ড অথবা পাসপোর্টের স্ক্যান কপি আপলোড করতে হবে। স্ক্যান কপি স্পস্ট করে করতে হবে।
  3. পেওনিয়ার বাংলাদেশে তাদের কার্ড সেন্ড করে বাংলাদেশের সরকারী ডাক যোগে। কার্ড অর্ডার দেওয়ার পর এলাকার সরকারী টিউন পিয়ন এর সাথে ভালো যোগাযোগ রক্ষা করুন।
  4. একই ঠিকানায় ২ টা কার্ড ২ নামে আসতে পারে। মানে আপনার ভাই এর নামে একটা আপনার নামে একটা কার্ড আনতে পারবেন। কিন্তু ভুলেও এক কম্পিউটার থেকে দুইটা সাইন আপ করবেন না।
  5. মাঝে মাঝে সাইন আপ বা অজ্ঞাত কারনে কার্ড পেতে কোন সমস্যা হলে আপনি তাদের সাপোর্টে যোগাযোগ করবেন। লাইভ চ্যাটে কথা বলার লিংক http://goo.gl/OCmMzw
  6. আপনার ন্যাশানাল আইডি যেই নামে আছে সেই নামেই একাউন্ট খুলবেন।
  7. পেওনিয়ারের সাথে স্ক্যাম করার চেস্টা করবেন না। ডলার সহ আপনাকে ব্লক মারবে। যারা স্ক্যাম করে তারাই ভালো বুঝে কি ভাবে স্ক্যাম করা যায়।
  8. পেওনিয়ার কার্ড একবার না আসলে আপনি আবার আনার জন্য রিকোয়েস্ট করবেন।

আসুন জেনে নেই প্রথমে পেওনিয়ার কার্ড (Payoneer Card) কিভাবে প্রথম লোড করতে হবে ?

  • আপনার নামে আগে থেকেই একটি পেওনিয়ার কার্ড আছে অথবা নতুন কার্ড আনতে যাচ্ছেন পেওনিয়ার কার্ডের সাথে আপনি একটি আমেরিকান ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ও রাউটিং নাম্বার পাবেন Us Payment Service নামক অপশনে। ২৫ বোনাস পাবার কারনে পেওনিয়ার প্রথম কার্ড টু card লোড অপশন লক করে রাখে পেওনিয়ার, এজন্য প্রথম ১০০+ ডলার লোড করতে আপনাকে যেকোন মার্কেটপ্লেস থেকে উইথড্র দেয়া যায়।
  • আপনি যদি upwork, Freelancer, Fiverr, Elance, Infolinks অথবা মাস্টার কার্ডে ডলার উইথড্র করার সুবিধা দেয় এমন কোম্পানিতে কাজ করে থাকেন তবে আপনার পেওনিয়ার কার্ডটি অ্যাড করে সরাসরি কার্ডে ডলার আনতে পারবেন। এক্ষেত্রে কোম্পানি গুলো ২% চার্জ করতে পারে এজন্য ২৫ ডলার বোনাস পেতে ১০৩ উইথড্র দিবেন।
  • আপনি যদি কোন মার্কেটপ্লেসে কাজ না করেন তবে আমি আপনাকে প্রথম ১০০+ মার্কেটপ্লেস থেকে উইথড্র দিয়ে দিতে পারবো, আপনার পেওনিয়ার কার্ড প্রথম লোড করার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমার ফেসবুক লিংক এখানে 
অথবা
  • Google Adsens, Bidvertiser, Amazon, clicksure অথবা অন্যন্য কোম্পানি থেকে ব্যাংক উইথড্র বা ওয়্যার ট্র্যান্সফারের মাধ্যমে কার্ডে ডলার আনতে পারেন, এজন্য Us Payment Service এর ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার ও রাউটিং নাম্বার আপনার প্রোফাইলের ব্যাংক উইথড্র অপশনে যোগ করুন,Us Payment Service এর ব্যাংক অ্যাড করার সময় কান্ট্রি অবশ্যই U.S.A সিলেক্ট করে নিবেন অথবা EU Payment Service এর মাধ্যমে পেমেন্ট রিসিভ করতে পারেন।

আপনি কার্ড এনেছেন কিন্তু লক হয়ে গিয়েছে বা একাউন্টে লগইন করতে পারছেন না তাহলে আপনি কি করবেন ?

  • কার্ড একটিভ করার ১৮০ দিনের মধ্যে লোড না করলে আপনার একাউন্টে লগইন করতে সমস্যা হতে পারে, আপনি পেওনিয়ার এর সাথে লাইভ চ্যাট করে বলুন আপনার কার্ড লোড দিতে চাচ্ছেন কিন্তু লগইন করতে পারছেন না, তাই আপনার একাউন্ট রিএকটিভ করে দিতে অনুরোধ করুন।

আপনি আরো যে যে কাজে কার্ডটি ব্যবহার করতে পারবেন???

  • অনলাইন শপিং।
  • অনলাইন বিল উত্তোলন ও প্রদান।
  • আপওয়ার্ক, ফ্রিল্যান্সার, ইল্যান্স, স্ক্রিল, ফিভার, গুগল অ্যাডসেন্স সহ অন্যান্য জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং সাইটে টাকা উত্তোলন ও বিল প্রদানের জন্য ব্যবহার করতে পারবেন।
  • ফেসবুক, টুইটার, গুগুল প্লাস, গুগুল, ইয়াহু সহ অন্যন্য সকল সামাজিক যোগাযোগ সাইটে আপনার প্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞাপন প্রচারের কাজে ব্যবহার করতে পারবেন।

কার্ডের টাকা কোথায় থেকে তুলবেন???

  • কার্ডের টাকা তোলার জন্য আপনার নিকটস্থ বা বিশ্বের যেকোন মাষ্টারকার্ড লোগো যুক্ত বুথ থেকে তুলতে পারবেন। বাংলাদেশের জন্য ব্র্যাক ব্যাংকের বুথ ভালো হয়।
  • সতর্কতাঃ আপনার পেওনিয়ার কার্ডে ডলার না থাকলে বুথে কার্ড ঢুকাবেন না, তাহলে কার্ড আটকে যাবে কারন বুথে ব্যাল্যান্স চেক করতেও কার্ডে ১ ডলার থাকা দরকার হবে।
বিঃ দ্রঃ প্রথমে আপনার কার্ডে পার্সোনাল লোড লক করা থাকবে তাই অন্য কার্ড থেকে কার্ড লোড দিতে পারবেন না, ১০০ ডলার যেকোন মার্কেটপ্লেস থেকে উইথড্র দেবার পর  অন্য কার্ড থেকে কার্ড লোড দিতে পারবেন অথবা প্রথম লোড করার জন্য আমার সাথে যোগাযোগ করতে পারেন আমার ফেসবুক লিংক এখানে 
  • অনেকে কার্ড একটিভ করার ১৮০ দিনের কার্ডে কোন প্রকার উইথড্র না দেয়ায় কার্ড লক হয়ে যায় ৭ মাসে এসে কার্ডে উইথড্র প্রয়োজন হয় আরপর আবার নতুন কার্ডের জন্য আবেদন করেন! কিন্তু আপন কি জানেন ডলার উইথড্র করার জন্য চাইলে সাপোর্টে কথা বলে আগের কার্ডটি পুনরায় একটিভ করা যায় কার্ডের মেয়াদ শেষ হবার আগে পর্যন্ত !
কার্ডটি মেয়াদ শেষ হবার আগ পর্যন্ত পেমেন্ট উইথড্র করার জন্য কার্ডটি আবার জীবিত করা সম্ভব!
পেওনিয়ার সম্পর্কে কোন প্রশ্ন থাকলে আমাকে ই-মেইল করে জানাবেন smsamim15@gmail.com
Signup করতে এখানে ক্লিক করুন।
  Read More

Subcrition

BTemplates.com

Powered by Blogger.

Pages

Visitor Counter

Text Widget

এই ব্লগটি সন্ধান করুন

Advertiser

Popular Posts

Show on Our Photo Galary

Pure Javascript. No jQuery. No flash.